
প্রশ্ন
আমার ছোট ভাইয়ের বয়স ১৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে রোগাক্রান্ত। খাওয়া-দাওয়া খুবই অল্প। তাই দুর্বলতা খুবই বেশি। সে রমযানের প্রথম রোযা রেখে সম্পূর্ণ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পেটের ব্যাথা ও অন্যান্য রোগ চরমে পৌঁছে যায়। এমতাবস্থায় রোযা রাখতে হবে কি? নাকি না রেখে পরে কাযা করবে? নাকি ফিদয়া দিবে?
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
অসুস্থতার কারণে রোযা রাখা কষ্টকর হলে রোযা রাখবে না। সুস্থ হলে রমযানের পর এই রোযাগুলো কাযা করে নিতে হবে। কাযা করার সামর্থ্য ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ফিদয়া দেওয়া যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে কাযাই করতে হবে।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- আলমুহীতুল বুরহানী, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩৫৯
- আলমাবসূত সারাখসী, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৮৯
- সূরা: বাকারা, আয়াত: ৮৫
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে না পারলে করণীয়
- অসুস্থতার কারণে রোজা না রেখে এতেকাফে বসা
- অসুস্থতার কারণে সুন্নত ছুটে গেলে করনীয়
- সফরের কারনে রোজা না রাখা
- বার্ধক্যজনিত কারণে রোযা রাখতে অক্ষম হলে করণীয়
- অসুস্থ অবস্থায় রোযা
- কাফফারার রোযা রাখা অবস্থায় ঈদ এসে গেলে করণীয়
- কাযা রোজা কোনো শরয়ী কারণ ছাড়া ভেঙ্গে ফেললে করণীয়