
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
ইমামের অনুসরণ জরুরী হওয়ার কারণে প্রথম বৈঠকে মাসবূকের (যার শুরুতে রাকা‘আত ছুটে গিয়েছে) যিম্মায় তাশাহহুদ পড়া ওয়াজিব হবে। না পড়লে, গুণাহগার হবে। তবে নামায হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে ইমাম সাহেব যখন আখিরী বৈঠকে বসবেন, তখনও মাসবূকের শুধু তাশাহহুদ পড়তে হবে। কিন্তু দরূদ শরীফ পড়বে না। সালাম ফিরানো পর্যন্ত ইমামের সাথে সময় কাটানোর জন্য মাসবূক ধীরে ধীরে তাশাহহুদ পড়বে এটাই উত্তম। তা সত্বেও যদি ইমামের পূর্বেই মাসবূক তাশাহহুদ থেকে ফারিগ হয়ে যায়, তাহলে পুনরায় ২য় বার তাশাহহুদ পড়বে, অথবা তাশাহহুদের শেষে যে কালিমায়ে শাহাদাত আছে, ইমামের সালাম ফিরানো পর্যন্ত তা দোহরাতে থাকবে, অথবা একবার তাশাহহুদ পড়ার পর চুপচাপ বসে থাকবে - এ তিন অবস্থায় যে কোনটি করা মাসবূকের জন্য জায়িয। তবে প্রথমটি উত্তম।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- ইমদাদুল ফাতাওয়া, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ৩৪
- আহসানুল ফাতাওয়া, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩৭৫
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- মাসবূক যদি ইমামের পিছনে ভুল করে
- মাসবূকের জন্য ইমামের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার হুকুম
- নামাযের শেষ বৈঠকে শরীক হওয়া
- দরূদ ও দুআয়ে মাসুরা পড়ার আগেই ইমাম সালাম ফিরিয়ে ফেললে করণীয় কি
- তারাবির নামাজে তাশাহুদের পর দুরুদ ও দোয়া পড়া
- ১ম বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরূদ ও দু‘আ পড়া
- প্রথম কাতারে মাসবূক থাকা অবস্থায় ইমাম সাহেবের মুসল্লিদের দিকে ফিরে বসা
- বিতরের নামাযে মাসবূক হলে করণীয়