
প্রশ্ন
জনৈকা বিবাহিতা মহিলার মাসিক ৬ দিন স্থায়ী হয়ে থাকে। কোন কোন বারে দেখা গেছে- প্রথম থেকেই সামান্য সামান্য স্রাব হয় এবং ১০ দিনের বেশী থাকে। বর্তমানে এটা একটা অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে যে, এ রকম স্বল্প স্রাব শুরু হলেই ঐ মাসে ১০ দিনের বেশী স্থায়ী হয়ে থাকে। এমতাবস্থায় উক্ত মহিলার জন্য ৬ দিন পর থেকেই মাসিক অবস্থাকালীন শর‘ই নিষেধাজ্ঞা গুলো উঠে যাবে, না কি সম্পূর্ণ ১০ দিন অপেক্ষা করতে হবে?
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
উপরোক্ত অবস্থায় উক্ত মহিলাকে দশ দিন দশ রাত্রি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যদি স্রাব দশ দিন দশ রাত্রির চেয়ে অতিরিক্ত জারী থাকে, তাহলে পূর্বের অভ্যাস অনুযায়ী ছয়দিন হায়েয গণ্য হবে। আর সেই সুরতে ছয়দিন বাদ দিয়ে বাকী দিন গুলোর নামায, রোযা কাযা করতে হবে। আর যদি স্রাব দশ দিনেই বন্ধ হয়ে যায়, দশ দিনের বাইরে না যায়, তাহলে পুরো দশ দিনই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- ফাতাওয়া দারুল উলুম, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৫৬
- হিদায়া, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৬৭
- ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৩৭
- ইমদাদুল মুফতীন, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৭৬
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- পূর্ব মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মাসিক বন্ধ হলে
- বাকি লেনদেনে নগদ মূল্যের চেয়ে কিছু বেশি দাম রাখা
- ঋতুস্রাবের পূর্বে কাযা নামায
- ভাড়া বাসার এডভান্সের যাকাত কার উপর আবশ্যক
- ঋণ দেওয়া টাকার উপর যাকাত
- বছরের মাঝে নেসাব থেকে টাকা কমে গেলে যাকাত আবশ্যক থাকে না
- মহিলাদের ঋতুস্রাবের কারণে কাযা নামাযের হুকুম
- পণ্যের মূল্য নির্ধারণ না করে বাকি বিক্রি করা