
প্রশ্ন
ঘরে নামায পড়তে হলে, সূরা-কিরা‘আত জোরে পড়তে হয় কিনা? ঘরে নামায আদায় ও মসজিদে নামায আদায়ে তারতম্য কি?
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
ঘরে নামায আদায়ের দ্বারা সম্ভবতঃ আপনার উদ্দেশ্য একাকী নামায পড়া। একাকী নামাযের কিরা‘আতের নিয়ম হল, যে সকল নামাযের কিরা‘আত আস্তে পড়ার নিয়ম, যেমন- যোহর, আসর, সে সকল নামাযে কিরা‘আত আস্তেই পড়তে হয়, জোরে পড়ার অনুমতি নেই। আর যে সকল নামাযে কিরা‘আত জোরে পড়ার নিয়ম, যেমন- মাগরিব, ইশা, ফজর, সে সকল নামাযে কিরা‘আত আস্তে বা জোরে পড়া ইখতিয়ার বিধান। তবে একাকী অবস্থায় এগুলোতে জোরে পড়া উত্তম। কোন উযর ব্যতীত ইচ্ছাকৃত জামা‘আত তরক করা নাজায়িয এবং গুনাহর কাজ। কেননা, মসজিদে জামা’আতের সাথে নামায আদায় করা অন্যান্য মাযহাবে ফরজ এবং হানাফী মাযহাবের নির্ভরযোগ্য মত অনুযায়ী ওয়াজিব এবং তাতে সওয়াব ২৭ গুণ বেশী।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- ফাতাওয়া শামী, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৫৩৪
- হিদায়া, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১১৫
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- নিঃশব্দ কিরা‘আতের স্থলে স্বশব্দে আর স্বশব্দের স্থলে নিঃশব্দে কিরা‘আত পড়া
- নামাজের জোরে কেরাত এর জায়গায় আস্তে এবং আস্তে কেরাতের জায়গায় জোরে কেরাত পড়া
- মেয়েরা নামাযে জোরে কুরআন পড়া প্রসঙ্গে
- একাকী নামায আদায়কারী ব্যক্তির পেছনে এসে কেউ ইক্তিদা করলে করনীয়
- ইমামের কিরা‘আত পড়া অবস্থায় মুক্তাদীর সানা পড়া
- একাকি কোন নামাজে কিরাত উচ্চস্বরে পড়া উত্তম
- মাসবূক ব্যক্তি সানা কখন পড়বে
- একাকী নামায আদায়কারীর পিছনে ইকতিদা