
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
জামা‘আতে নামাযরত অবস্থায় ইমাম সাহেবের কোন ভুল হতে থাকলে মুক্তাদীদের কর্তব্য ইমামকে ‘সুবহানাল্লাহ’ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সতর্ক করে দেয়া। এতে তাদের নামাযের কোন ক্ষতি হবে না। উল্লেখিত অবস্থায় যদিও মুক্তাদীরা তাকবীর বলে ফরয থেকে ওয়াজিবের দিকে প্রত্যাবর্তনের জন্য সতর্ক করছিল, (ইমাম তা গ্রহণ না করে শেষে সিজদা সাহু করে নিলেই পারতেন) তথাপি তাদের নামায ফাসিদ হবে না। কর্তব্য যে হাটুতে হাত পৌঁছে এ পরিমাণ নীচু হলেই ফরয রুকূ হয়ে যায়। রুকূতে মাথা কোমর ও পিঠ বরাবর রাখা সুন্নাত। এ হিসেবে প্রশ্নে বর্ণিত সুরতে যদি এক তৃতীয়াংশ রুকূর পরিমাণ ফরয রুকূর সমান বা অধিকাংশ হয়ে থাকে, তাহলে দু‘আয়ে কুনূত পড়ার জন্য ফিরে না এসে শেষে সিজদা সাহু করলেই চলতো। আর এটা করাই ইমাম সাহেবের কর্তব্য ছিল। অবশ্য রুকূ থেকে কাওমায় দাঁড়িয়ে দু‘আয়ে কুনূত পড়ে দ্বিতীয়বার রুকূ না করে সরাসরি সিজদায় যেয়ে নামায শেষ করলেও নামায হয়ে যেত। তবে এরূপ ক্ষেত্রে সিজদায়ে সাহু করতে হতো। কিন্তু পুনরায় রুকূ করাটা অনুচিত বটে তবে নামায হয়ে যাবে এবং এ সুরতেও সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- দারূল উলূম, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৫৬
- আল-বাহরুর রায়িক, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১০
- আলমগীরী, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১১১
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- ভুলে রুকুতে যাওয়ার পর পেছন থেকে লোকমা দিলে করণীয়
- দু‘আয়ে কুনূত না পড়ে রুকূতে চলে যাওয়া
- বেতরের নামাজে মাসবুক হলে করণীয়
- নবাগত মুক্তাদী রুকূতে যাওয়ার সাথে সাথেই ইমাম রুকূ হতে উঠে গেলে
- যাকাত পাওয়ার জন্য রুকুর ন্যূনতম সময়
- রুকুর তাকবীর না বলে রুকুতে চলে গেলে করণীয়
- রাকাত পাওয়ার জন্যে ইমামের সাথে রুকুর ন্যূনতম সময়
- সিজদায় যাওয়ার সঠিক পদ্ধতি