
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
শরী‘আতে গান-বাজনা সম্পূর্ণ হারাম ও কবীরা গুনাহ। গান-বাদ্য শিক্ষা করা এবং শিক্ষা দেয়া উভয়টাই কবীরা গুনাহ। আর যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহে লিপ্ত থাকে সে ফাসিক। আর ফাসিকের পিছনে নামায পড়া এবং তার জন্য ইমামতী করা দুইটিই মাকরূহে তাহরীমী। সুতরাং প্রশ্নে বর্ণিত ইমাম সাহেব পূর্বে যৌবন বয়সের গান-বাজনা করা থেকে তাওবা করে অতঃপর তাওবার আলামত প্রকাশ হওয়ার পর অর্থাৎ আমল আখলাক দুরস্ত হয়ে যাওয়ার পর তার পিছনে ইকতেদা এবং ইমামের জন্য নামায পড়ানো জায়িয হয়েছিল। কিন্তু বর্ণনা অনুযায়ী বর্তমানে সত্যিই যদি গোপনে বা প্রকাশ্যে গান-বাজনা শিখায় তাহলে তিনি আবারও কবীরা গুণাহে লিপ্ত হওয়ার কারণে তার পিছনে নামায মাকরূহে তাহরীমী হবে। তবে যদি কেউ না জানার কারণে বা কাছে-ধারে অন্য মসজিদ না থাকার কারণে বা অন্য কোন শর‘ই উযরের দরুন তার পিছনে ইকতেদা করে তার নামায মাকরূহ হবে না।
- والله اعلم باالصواب -