
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
এখানে তিনটি বিষয় জেনে রাখার দরকারঃ ১মঃ দাঁড়িয়ে নামায পড়া। ২য়ঃ কিবলার দিকে মুখ রাখা। ৩য়ঃ নিয়ম মুতাবিক রুকু-সিজদা সহ নামায পড়া। অর্থাৎ, ইশারায় রুকূ সিজদা না করা। যদি ট্রেন বা লঞ্চে বা বাসে উল্লেখিত তিনটির কোন একটি করা সম্ভব না হয়, তাহলে সে নামায ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে নিবে। কিন্তু পরে দোহরানো জরুরী। গাড়ীতে লঞ্চে বা বাসে নামায পড়ার নিয়ম এই যে, প্রথমে দাঁড়িয়ে তাহরীমা বাঁধার পর পড়ে যাওয়ার ভয় থাকলে হেলান দিয়ে বা কোন কিছু ধরে দাঁড়াবে। মনে রাখতে হবে- হাত বাঁধা সুন্নাত। কিন্তু দাড়ানো ফরয। কাজেই প্রয়োজনের সময় সুন্নাত তরক করে ফরয আদায় করতে হবে। গাড়ী, লঞ্চ ও বাস কিবলা থেকে ঘুরতে থাকলে মুসল্লীও ঘুরবে এবং সর্বদা কিবলামুখী থাকবে। সিজদার সময় পিছনের সিটে পা ঝুলিয়ে বসে সামনের ছিটে কম করে ১ তাসবীহ পরিমাণ সময় সিজদা করবে। আর খালি জায়গা পেলে লঞ্চে, বাস বা ট্রেনের ফ্লোরে সিজদাহ করবে। আর যদি সিজদা করার মত কোন খালি জায়গা না পাওয়া যায়, তাহলে ইশারায় রুকূ-সিজদা করে নামায পড়ে নিবে। তবে এ ক্ষেত্রে গন্তব্যে স্থলে পৌঁছে নামায দুহরিয়ে পড়তে হবে। তবে যানবাহনে যদি কেউ বিনা ওযরে বসে নামায পড়ে বা কিবলা থেকে চেহারা ফিরে যায়, তাহলে নামায দুহরিয়ে নিতে হবে।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- আহসানুল ফাতাওয়া, খন্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৮৮
- ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়াহ, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১২০