
প্রশ্ন
আমি দীর্ঘ দশ/বার দিন অসুস্থ ছিলাম। মাথা দ্বারা ইশারা করেও নামায আদায় করতে সক্ষম ছিলাম না। কিন্তু আমার হুঁশ বাকি ছিল। আমার জানার বিষয় হল, উক্ত দিনগুলোতে ছুটে যাওয়া নামাযের কাযা করতে হবে কি না? উল্লেখ্য, হিদায়া গ্রনে'র প্রথম খণ্ডের ১৬১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, এ অবস্থায় ছুটে যাওয়া নামায কাযা করতে হবে।
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ছুটে যাওয়া নামাযগুলোর কাযা জরুরি নয়। তবে কাযা করে নেওয়া ভালো। হেদায়া গ্রন্থের ঐ উক্তিটি গ্রহণযোগ্য মত নয়। কেননা, ফাতাওয়ার প্রসিদ্ধ কিতাবাদির পাশাপাশি স্বয়ং হিদায়ার লেখকও তার কিতাব ‘আততাজনীস ওয়াল মাযীদ’-এ কাযা জরুরি না হওয়ার ফতোয়া প্রদান করেছেন। নিম্নে এ সংক্রান্ত হাওয়ালাসমূহ পেশ করা হল।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- আলমু’জামুল আওসাত তবরানী, খন্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ১১
- আততাজনীস ওয়াল মাযীদ, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৭৭
- বাদায়েউস সানায়ে, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৮৮
- তাবয়ীনুল হাকায়েক, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২০১
- ইলাউস সুনান, খন্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ২০০
- হাশিয়াতু তহতাবী আলাল মারাকী, পৃষ্ঠা: ২৩৬
- ফাতাওয়া খানিয়া, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৭২
- আলবাহরুর রায়েক, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১১৫
- ফাতাওয়া তাতারখানিয়া, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১২৩
- খুলাসাতুল ফাতাওয়া, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৯৫
- শরহুল মুনইয়াহ, পৃষ্ঠা: ২৬৫
- রদ্দুল মুহতার, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ৯৯
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- গোসল করতে অক্ষম ব্যক্তির ফরজ গোসল হলে করণীয়
- অসুস্থতার কারণে সুন্নত ছুটে গেলে করনীয়
- অসুস্থতার দরুন তাওয়াফে যিয়ারত সম্পন্ন করতে না পারলে করণীয়
- রুকু সেজদা করতে অক্ষম ব্যক্তি কিভাবে নামায পড়বে
- বার্ধক্যজনিত কারণে রোযা রাখতে অক্ষম হলে করণীয়
- অসুস্থতার দরুন বসে নামাজ পড়তে না পারলে করণীয়
- উযু ব্যতীত নামায পড়া
- রোযা রাখতে অক্ষম ব্যক্তির করণীয় কী