
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
বর্ণনানুযায়ী আলেম সাহেবের স্ত্রী তাঁরই আছে। স্ত্রী অন্যের সাথে বিবাহ বসার কারণে প্রথম বিবাহের কোন ক্ষতি হয়নি। যেহেতু মাওলানা সাহেবের থেকে তালাক জনিত কিছু প্রকাশ পায়নি, সেহেতু স্ত্রীর দ্বিতীয় বিবাহ সহীহ হয়নি। শরী‘আতের পরিভাষায় উক্ত বিবাহকে নেকাহে বাতিল বলা হয়। আর নেকাহে বাতিলের হুকুম হল- যার সাথে দ্বিতীয় বিবাহ হয়েছে, তার থেকে কোন প্রকার তালাক ও ইদ্দত ছাড়াই স্বামী-স্ত্রী ঘর-সংসার করতে পারে। এতে শর‘ই কোন অসুবিধা নেই। অতএব স্ত্রীর উক্ত কার্যকলাপের জন্যে ইমাম সাহেব অপরাধী নয়। সুতরাং ইমাম সাহেবের ইমামতীতে শর‘ই দৃষ্টিকোণে কোন অসুবিধা নেই। তবে স্ত্রীকে খালিস তাওবা করিয়ে নেয়া ইমাম সাহেবের কর্তব্য। আর যেহেতু স্ত্রীর ২য় বিবাহ নেকাহে বাতিল হয়েছে, সেহেতু উক্ত ব্যক্তির সাথে জীবন-যাপন সম্পূর্ণ হারাম হয়েছে।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- ফাতাওয়া দারুল উলূম, খন্ড: ১২, পৃষ্ঠা: ২৪৯
- আদদুররুল মুখতার, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৩১০
- ফাতাওয়া দারুল উলূম, খন্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ৪৬৬
- সূরা: নিসা, আয়াত: ২৩
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- স্বামী স্ত্রীকে ও স্ত্রী স্বামীকে কাফন-দাফন দেয়া
- স্ত্রী স্বামী থেকে টাকার বিনিময়ে (খোলা) তালাক নিতে পারবে কি না
- কেবল মাত্র স্বামী-স্ত্রীর জামা‘আতবদ্ধ হয়ে নামায আদায়
- স্ত্রীকে নিয়ে জামা‘আতের ক্ষেত্রে ইকামত
- স্ত্রীর তালাক নেওয়ার অধিকার না থাকা সত্ত্বেও নিজেকে তালাক দেওয়া
- “আল্লাহর কসম আমি আর তোমার সাথে থাকবো না।” এরকম কথা বলার পর স্ত্রীর সাথে হুকুম কি
- নির্যাতিতা স্ত্রীর তালাক নিয়ে আলাদা হবার পদ্ধতি কি
- রোযা রেখে জোরপূর্বক স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে স্বামী স্ত্রীর রোযার বিধান কী