
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদা করা হারাম। তা যে নিয়তেই করা হোক না কেন। সেটা হারাম হিসাবেই গণ্য হবে। কারণ, সিজদার দু’টি নিয়ত রয়েছে। যথা- সিজদায়ে তা’যীমী অর্থাৎ সম্মানসূচক ও ইবাদতের নিয়তে সিজদা। আর উভয় প্রকার সিজদা হারাম। ইবাদতের নিয়তে অন্যকে সিজদা করা শুধুমাত্র হারামই নয়; বরং তা কুফুরী। প্রশ্নের ধারা অনুযায়ী যদি কাউকে মাধ্যম মেনে আল্লাহকে সিজদা করা জায়িয হত, তাহলে এর জন্য সবচেয়ে বেশী হক ছিল রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম এর। অথচ কুরআন-হাদীসের কোথাও এতদসংক্রান্ত কোন বর্ণনা নেই। শুধু তাই নয়, বরং এ ব্যাপারে রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম কঠোর ভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে গেছেন। সুতরাং আপনার ভাই যে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন, সেটা শয়তানী যুক্তি। এর দ্বারা হারাম ও কুফুরী কাজ হালাল হবে না।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- ফাতাওয়ায়ে শামী, খন্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৩৮৩
- ইখতিলাফে উম্মত আওর সিরাতে মুস্তাকীম , পৃষ্ঠা: ৬৬
- মিশকাত শরীফ, পৃষ্ঠা: ২৮২
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- মাজার বা পীরকে সেজদা করার হুকুম কী
- ইমাম অতিরিক্ত সিজদা করলে করণীয়
- নামাযে সেজদার তেলাওয়াতের পর যথাসময়ে সেজদা না করলে করনীয়
- নামাযে দুই সিজদাহ করা ফরয কি-না ?
- পীরকে সেজদা করা
- প্রথম কাতারে মাসবূক থাকা অবস্থায় ইমাম সাহেবের মুসল্লিদের দিকে ফিরে বসা
- নামাযের মধ্যে একটি সিজদা ভুলে গেলে
- অসুস্থতার কারণে কোন জিনিসের উপর সিজদা করা