
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
শরী‘আতের দৃষ্টিতে ছেলা রেহেমী তথা আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরী। মিথ্যা মামলা করে কাউকে জেলে পাঠানো কবীরা গুনাহ। একসাথে চারটার বেশী বিবাহ করাও হারাম। মিথ্যা বলা কবীরা গুনাহ ও মহাপাপ। বেগানা মহিলাদের থেকে পর্দা করা ফরয। তাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করা ও অনর্থক কথাবার্তা বলা কবীরা গুণাহ। মোটকথা, এসব ঘটনা সহীহ হলে, উক্ত ইমাম ফাসিক। আর তার পিছনে নামায পড়া মাকরূহে তাহরীমী। কর্তৃপক্ষের উচিত, উক্ত ইমামকে সরিয়ে অন্য একজন নেককার, পরহেযগার ও হক্কানী আলিমকে ইমাম নিয়োগ করা। আর যদি উক্ত ইমামকে বরখাস্ত করলে ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা থাকে, তাহলে ঐ ইমামের পিছনে নামায পড়ে নিবে। তবে গুনাহের দায়-দায়িত্ব ঐ ইমাম ও তার সহযোগীদের উপর বর্তাবে। আর যদি আশে-পাশে ভাল ইমাম থাকে তাহলে সেখানে গিয়ে নামায পড়া ভাল।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- বুখারী শরীফ, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১০
- মিশকাত শরীফ, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ২৭০
- ফাতাওয়া শামী, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৫৫৯
- ফাতাওয়া দারুল উলুম, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩০৪
- সূরা: আলে ইমরান, আয়াত: ৬১
- সূরা: হজ্জ, আয়াত: ৩০