
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
ফিকহের কিতাবসমূহে আছে যে, ইমাম সাহেবের মধ্যে যদি শরী‘আতের দৃষ্টিতে কোন ত্রুটি না থাকে এবং মুক্তাদিরা যদি ঐ ইমামের উপর দুনিয়াবী কারণে খামাখা অসন্তুষ্ট (নারায) থাকে, তাহলে তার পিছে নামাযের মধ্যে কোন ক্ষতি হবে না। ইমামের নামায পড়ানোও মাকরুহ হবে না। আর এ অবস্থায় যেহেতু মুক্তাদীগণ অহেতুক ইমামের উপর নারায, তাই মুক্তাদীগণ গুণাহগার হবে। আর যদি ইমামের মধ্যে বাস্তবিক পক্ষে শর‘ই কোন ত্রুটি থাকায় তার প্রতি মুক্তাদিরা নারায থাকে, তাহলে ঐ ব্যক্তির ইমাম হওয়া মাকরূহ হবে। তার ইমামতী ছেড়ে দেয়া উচিত। আপনার আপত্তির বিস্তারিত কারণ কোন ভাল আলেম থেকে জানার চেষ্টা করুন। এতে সত্যই যদি ইমাম দোষী হন, তাহলে তার সংশোধনের ফিকির করা যাবে। আর যদি আপনি খামাখা কু-ধারণা করে থাকেন, তাহলে ইমাম সাহেব থেকে মাফ চেয়ে নিবেন।
- والله اعلم باالصواب -