
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
শরী‘আতে মৃত্যুবার্ষিকী পালনের কোন ভিত্তি নেই। সলফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও তাবে তাবেঈনদের যুগে এর প্রচলন ছিল না। সুতরাং মৃত্যুবার্ষিকী রীতি পালন নিছক মনগড়া ও বিজাতীয় একটি কুসংস্কার। তাই মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মিসকীন খাওয়ানো বা অন্য যে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ঠিক নয়। বরং শরী‘আত পরিপন্থী কাজ। উল্লেখ থাকে যে, মৃতের রূহের মাগফিরাতের জন্য দিন-তারিখ নির্দিষ্ট না রেখে বৎসরের যে কোন সময় অবস্থা, সুযোগ ও সামর্থ অনুযায়ী দান, সদকা ও নফল ইবাদত ইত্যাদির মাধ্যমে সাওয়াব রিসানী করা যায়। হাদীস শরীফের বর্ণনানুযায়ী মৃত ব্যক্তি সব সময়ই অপেক্ষায় থাকে তার কোন সন্তান বা আত্মীয় তার জন্যে কোন সাওযাব পাঠায় কি-না? তাই যখনই সুযোগ হয় তখনই যথা সম্ভব যে কোন আমলের মাধ্যমে ঈসালে সাওয়াব করা উচিৎ।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- ইমদাদুল মুফ্তীন, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৫৮
- মাজমু‘আতুল ফাতাওয়া, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৩৪১
- ইমদাদুল আহকাম, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৯০
- শামী, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ২৪০
- ফাতাওয়া রশীদিয়া, পৃষ্ঠা: ১৬৬
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- ইসলামের দৃষ্টিতে মৃত্যুবার্ষিকী ও জন্মবার্ষিকী
- পিতার মৃত্যুতে শোক পালন
- স্বামীর ইন্তেকালে ইদ্দত পালন
- স্থায়ী অস্থায়ী ঠিকানা আলাদা হলে ইদ্দতের পালনের স্থান
- এপ্রিল ফুল পালন করা ও এপ্রিল ফুলের ইতিহাস
- স্বামীর মৃত্যু সংবাদ না পেলে ইদ্দত পালন
- খোলা তালাকপ্রাপ্তা মহিলার ইদ্দত পালন করা জরুরী কি না
- যমযমের পানি পান করা