
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
আসলে নামাযের মাঝে তিন ধরণের তাকবীর রয়েছে। যথা- ১. তাকবীরে তাহরীমা। ২. তাকবীরে ইন্তিকালিয়া তথা উঠাবসার তাকবীর। ৩. তাকবীরে জায়েদা বা অতিরিক্ত তাকবীর। তাকবীরে তাহরীমা ফরজ। তাকবীরে তাহরীমা আদায়ের স্থান হল দাঁড়িয়ে তা আদায় করা। তাকবীরে ইন্তিকালিয়া তথা উঠাবসার তাকবীর সুন্নত। যা রুকু সেজদায় যাওয়া ও উঠার সময় বলা হয়ে থাকে। তাকবীরে জায়েদা তথা অতিরিক্ত তাকবীর। যেমন ঈদের নামাযের ছয় তাকবীর। ইত্যাদি হল তাকবীরে জায়েদা। এসব তাকবীর হল ওয়াজিব। আর নামাযের শুরুতে যে তাকবীর বলে নামাযে প্রবেশ করা হয়, সেটি হল তাকবীরে তাহরীমা। এটি ফরজ। আর এ তাকবীর আদায়ের স্থান হল দাঁড়িয়ে বলা। সুতরাং কোন ব্যক্তি সোজা হয়ে না দাঁড়িয়ে রুকুতে যেতে যেতে তাকবীর বলতে থাকে, তাহলে মূলত সেটি তাকবীরে তাহরীমা হচ্ছে না। তাকবীরে ইন্তিকালিয়া হয়ে যাচ্ছে। আর তাকবীরে তাহরীমা না হলে নামায হয় না। সে হিসেবে উক্ত ব্যক্তির নামায হবে না। عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ، أَنَّ رَسُولَ صَلَّى عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا قَامَ يُصَلِّي تَطَوُّعًا قَالَ: «اللَّهِ أَكْبَرُ হযরত মুহাম্মদ বিন মাসলামা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ যখনি নফল নামাযে দাঁড়াতেন তখনি তিনি আল্লাহু আকবার বলতেন। (সুনানে নাসায়ী, হাদীস নং-৮৯৮, আলমুজামুল কাবীর-৮/২২৬, হাদীস নং-১৫৮৫৭) এজন্য উচিত হল, আগে সোজা দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমা বলার পর রুকুর তাকবীর বলে রুকুতে যাবে। যেতে যেতে বলবে না।
- والله اعلم باالصواب -
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- ইমাম সাহেবকে রুকূতে পাওয়া গেলে
- নবাগত মুক্তাদী রুকূতে যাওয়ার সাথে সাথেই ইমাম রুকূ হতে উঠে গেলে
- রুকুর তাকবীর না বলে রুকুতে চলে গেলে করণীয়
- কুনূত না পড়ে রুকূতে যাওয়ার উপক্রম হলে
- তাকবীরে তাহরীমা বলার আগেই হাত বাঁধা
- ঈদের নামাযে শেষ রাকা‘আতের রুকুতে শরিক
- ঈদের নামাযে মাসবূক হলে
- ঈদের নামাযের অতিরিক্ত তাকবীর ছুটে গেলে করণীয়