
প্রশ্ন
ফিক্বহের কেতাবে দেখলাম যে, রোগী ব্যক্তি দাঁড়াতে বা বসতে সক্ষম না হলে চিৎ হয়ে শুয়ে কিবলামুখী পা লম্বা করে দেবে অথবা ডান কাৎ হয়ে কেবলামুখি হয়ে শোবে এবং ইশারায় নামাজ আদায় করবে। চিৎ হয়ে শুয়ে পরাই উত্তম। (মেফতাহুল জান্নাত) তাই আমি জানতে চাই নামাজে যদি কেবলার দিকে পা লম্বা করা বেয়াদবী না হয়, তাহলে অন্ন সময় কেবলার দিকে পা লম্বা করা কি বেয়াদবী? যদি বেয়াদবি হয় সেটা কেন?
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
মাজুর ও সুস্থ্য ব্যক্তির অনেক হুকুমে পার্থক্য আছে। যেমন দাঁড়াতে সক্ষম ব্যক্তি বসে নামায পড়লে নামায আদায় হবে না। কিন্তু মাজুর ব্যক্তির জন্য বসে পড়া জায়েজ হবে। রুকু সিজদা করতে সক্ষম ব্যক্তির জন্য রুকু সেজদা না করে ইশারায় নামায পড়লে হবে না, পক্ষান্তরে মাজুরের জন্য জায়েজ। তেমনি সুস্থ্য ব্যক্তির জন্য কিবলামুখী পা দেয়া মাকরূহ। কারণ এতে কাবার সম্মান হানী করা হয়। কিন্তু মাজুর ব্যক্তির জন্য কিবলামুকী পা দেয়া মাকরূহ নয়।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- ফাতাওয়া হিন্দিয়া, খন্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ৩১৯
- আল মুহিতুল বুরহানী, খন্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ১০
- ফাতওয়ায়ে মাহমুদিয়া, খন্ড: ২৯, পৃষ্ঠা: ১৭৮
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- চেয়ারে বসে নামায পড়া বিষয়ক কয়েকটি জরুরী মাসআলা
- রুকু সিজদার তাসবীহ তিনবারের কম পড়া
- কুনূত না পড়ে রুকূতে যাওয়ার উপক্রম হলে
- অসুস্থতার দরুন বসে নামাজ পড়তে না পারলে করণীয়
- জানাযার নামাযে রুকু সিজদা না থাকা
- রুকুর তাকবীর না বলে রুকুতে চলে গেলে করণীয়
- ইমাম সাহেবকে রুকূতে পাওয়া গেলে
- রুকু-সিজদায় তিনবারের চেয়ে কম তাসবীহ পড়া