
প্রশ্ন
আমি গত রমযানে রোযা রেখে বিনা ওজরে তা ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। ফলে আমার উপর কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে। আমি অত্যন্ত মাজুর বিধায় ষাটটি রোযা রাখতে সমর্থ নই। তাই মিসকীনদেরকে সদকা ফিতর পরিমাণ খাদ্য দিতে চাচ্ছি। এখন জানার বিষয় হল, ষাটজন মিসকীনকেই দিতে হবে? নাকি ঐ পরিমাণ খাদ্য একজনকে দিলেও চলবে?
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
রোযার কাফফারা আদায়ের সামর্থ্য না থাকলে ষাট রোযার পরিবর্তে ষাটজন প্রাপ্তবয়স্ক মিসকীনকে দু’ বেলা তৃপ্তি সহকারে খানা খাওয়াতে হবে কিংবা ষাটজনের প্রত্যেককে এক ফিতরা পরিমাণ খাদ্য বা তার মূল্য দিতে হবে। এই ষাট রোযার পরিবর্তে একজনকে খাদ্য দিতে চাইলে এক ফিৎরা করে ষাট দিনে দিতে হবে। এক দিনে এক ব্যক্তিকে ষাট ফিতরা পরিমাণ একত্রে দিলে তার দ্বারা ষাট রোযার ফিদয়া আদায় হবে না।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- সহীহ বুখারী, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৬০
- উমদাতুল কারী, খন্ড: ১১, পৃষ্ঠা: ৩১
- তাবয়ীনুল হাকায়েক, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ১২
- রদ্দুল মুহতার, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৪৭৯
- ফাতাওয়া হিন্দিয়া, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৫১৩
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- রোযার কাফফারা কিভাবে আদায় করবে
- রোযার কাফফারা
- একাধিক রোযার কাফফারা কয়টি আদায় করতে হয়
- রোযা অবস্থায় জিনা করা ও রোযার কাফফারা
- ইচ্ছেকৃত রোযা ভঙ্গ করলে কাযা আবশ্যক না কাফফারা
- কসম করার পর তা ভেঙ্গে ফেললে কাফফারা কিভাবে আদায় করবে
- রোযা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করা ও তার কাযা, কাফফারা
- রোযা রেখে কাফফারা আদায়ে সক্ষম হওয়া সত্বেও ফিদিয়া দেওয়া