
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
শা’বানের এক তারিখ থেকে সাতাইশ তারিখ পর্যন্ত রোযা রাখার বিশেষ ফযীলতের কথা হাদীস শরীফে আছে। তাছাড়া আইয়ামে বীয তথা প্রতি মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখে রোযা রাখার ব্যাপারে হাদীস শরীফে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই সাথে যয়ীফ সনদে বর্ণিত একটি হাদীসে বিশেষভাবে পনেরো তারিখের রোযা রাখার নির্দেশনাও পাওয়া যায়। (তরজমা) পনেরো শা’বানের রাত (চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা তা ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং পরদিন রোযা রাখ।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীসঃ ১৩৮৪) আগেই বলা হয়েছে যে, যেহেতু বিভিন্ন সহীহ হাদীসে শা’বান মাসের রোযার সাধারণ ফযীলত এবং আইয়ামে বীযের রোযার ফযীলত উল্লেখিত হয়েছে পাশাপাশি যয়ীফ সনদে উপরোক্ত হাদীসটিও বিদ্যমান রয়েছে তাই কেউ যদি এই সকল বিষয় বিবেচনায় রেখে পনেরো শা’বানের রোযা রাখেন তাহলে তিনি ছওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ।
- والله اعلم باالصواب -
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- শবে-বরাতে প্রচলিত প্রথা
- গর্ভবতী নারী রোযা ভেঙ্গে ফেললে পরবর্তীতে তার কতটি রোযা কাযা করতে হবে ফিদিয়া দিলে হবে কি
- শবে বরাত, শবে কদরের নামাজ
- সারা বিশ্ব একই দিনে রোযা ও ঈদের হুকুম
- শবেবরাত উপলক্ষে আয়োজন
- রোজা অবস্থায় নেবুলাইজার ব্যবহার করা
- রোজা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার
- বয়স্ক অসুস্থ্য ব্যক্তি রোযা রাখতে না পারলে কি কাফফারা আদায় করবে