
প্রশ্ন
ছফর অবস্থায় কসর নামায কোন ওয়াক্তে কত রাকাত পড়তে হবে সে সম্পর্কে কোরআন-হাদীসের আলোকে জানতে চাই। শুধু ফরজ পড়লেই চলবে নাকি ওয়াজিব, সুন্নত এসব নামাযও আদায় করতে হবে, বিস্তারিত জানিয়ে বাধীত করিবেন।
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
সফর অবস্থায় চার রাকাতবিশিষ্ট নামায দুই রাকাত করে পড়তে হবে। যথা জোহর আসর ও ইশার নামায চার রাকাতের বদলে দুই রাকাত পড়া হবে। তবে মাগরিবের নামায ও বিতির নামায তিন রাকাত পূর্ণই পড়তে হবে। বাকি সুন্নত নামায সুযোগ থাকলে পড়া উত্তম। কষ্টকর হলে বা চলন্ত অবস্থায় হলে না পড়াতে কোন সমস্যা নেই। عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: فُرِضَتِ الصَّلَاةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ إِلَّا الْمَغْرِبَ فُرِضَتْ ثَلَاثًا لِأَنَّهَا وِتْرٌ، قَالَتْ: ” وَكَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَافَرَ صَلَّى الصَّلَاةَ الْأُولَى إِلَّا الْمَغْرِبَ، فَإِذَا أَقَامَ زَادَ مَعَ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ إِلَّا الْمَغْرِبَ، لِأَنَّهَا وَتْرٌ، وَالصُّبْحَ، لِأَنَّهُ يُطَوِّلُ فِيهَا الْقِرَاءَةَ “ হযরত আয়শা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম প্রথম নামায দুই রাকাত করে ফরজ হয় মাগরিব ছাড়া। কারণ এটি শুরুতেই ছিল তিন রাকাত। কেননা, এটি দিনের বিতির নামায। তিনি আরো বলেন, রাসূল সাঃ যখন সফর করতেন, তখন তিনি দুই রাকাত করেই পড়তেন, মাগরিব ছাড়া। তথা মাগরিব তিন রাকাতই পড়তেন। তার পরবর্তীতে দুই রাকাতের সাথে দুই রাকাত বৃদ্ধি করা হল মাগরিব ছাড়া। কেননা এটি (দিনের) বিতির। আর ফজরের দুই রাকাতের সাথে বৃদ্ধি করা হয়নি, কেননা এতে লম্বা কিরাত পড়া হয়। (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৬২৮২, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-৩০৫, সুনানে সগীর লিলবায়হাকী, হাদীস নং-২৫৫) وهذا هو الاعدل اذا لم تكن مشقة حالة النزول (كبيرى-545
- والله اعلم باالصواب -
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- সফর অবস্থায় ভুলে কসর না করলে করণীয়
- সফর অবস্থায় জামা‘আতে নামায আদায়
- কসর নামাযের কাযা আদায়
- সফরের সময় যদি দূরত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকে তবে কসর নামায পড়া কী ঠিক হবে
- চার রাকাত নামাযের নিয়ত করে করে দুই রাকাত আদায়
- নামাযরত অবস্থায় মহিলাদের সতর ঢেকে রাখা
- তারাবীর নামাযে দ্বিতীয় রাকাতের পর দাঁড়িয়ে গেলে করনীয়
- তারাবীহের নামাযে প্রথম বৈঠকে না বসে এক সাথে চার রাকাত পড়ে ফেললে কি করণীয়