
আজানের আগে আসসালামু আলাইকা ইয়ারাসূল্লাহ বলার হুকুম কি
আহলে হ্বক বাংলা মিডিয়া সার্ভিস•মসজিদ-মাদ্রাসার বিধান•
প্রশ্ন
আজানের আগে দরূদ যেমন বালাগাল উলা বিকামালিহী বা আসসালাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ বা গজল ইত্যাদি বলা জায়েজ আছে কি? নাকি বেদআত?
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
আযানের অংশ মনে করে আযানের আগে দরূদ পড়া বা অন্য কোন জিকির করা বেদআত। যদিও দরূদ ও জিকির মৌলিকভাবে প্রশংসনীয় ও সওয়াবের কাজ। আক্বিদা ঠিক রেখে এমনিতে কখনো কখনো করলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু একে অভ্যাসে পরিণত করা বৈধ নয়। কারণ আযানের আগে দরূদ পড়া বা জিকির আজকার করা বা কোন ঘোষণা দেয়ার প্রমাণ সম্বলিত কোন হাদিস বা সাহাবায়ে কিরাম এবং সালাফে সালেহীন এর কোন আমল দ্বারা প্রমাণিত নয়। তাই একে অভ্যাসে পরিণত করে করাটা সুষ্পষ্ট বিদআত হবে। সুতরাং তা পরিত্যাজ্য। মানুষকে সজাগ সচেতন করার ইচ্ছে হলে আজানইতো যথেষ্ট। কারণ আযানই হল ই’লান বা ঘোষণা যে, নামাযের সময় হয়ে গেছে। সুতরাং এখানে নতুন করে কিছু বাড়ানোরতো কোন প্রয়োজন নেই।
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- আল ফাতওয়াল কুবরা আল ফিক্বহিয়্যাহ, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৩১
- ফাতওয়ায়ে উসমানী, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১১১
- সহীহ বুখারী শরীফ, হাদীস নম্বর: ২,৫৫০
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- “আসসালাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ” বলার হুকুম
- প্রত্যেক আযানের পূর্বে নিয়মিত দরূদ পাঠ করা
- বিধর্মীদের কিভাবে সম্মান দেখাবে তাদের আদাব, নমস্তে বলার হুকুম কি তাদের সালাম দেয়া যাবে কি
- খালি ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দেওয়া
- গায়রে মাহরামের সাথে কথা বলার সময় চেহারার দিকে তাকানো
- আযান-ইকামতের উত্তর দেওয়ার হুকুম
- দরূদ শরীফ কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জমানায় ছিল?
- ঈদের খুতবার আগে-পরে তাকবীর বলা