
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
যদি সম্ভম হয়, তাহলে তিনি রোযা রাখবেন। যদি সক্ষম না হন, তাহলে রমজান শেষে যদি সক্ষম হন, তাহলে রোযার কাযা করে নিবেন। আর যদি আর সুস্থ্য হবার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে প্রতি রোযার জন্য একটি ফিদিয়া দিতে হবে। রোযা রাখতে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য কাফফারার বিধান নয়। ফিদিয়ার বিধান। ফিদিয়া হল, প্রতি রোযার জন্য একজন মিসকিনকে দুইবেলা খানা খাওয়ানো বা এর সমমূল্য প্রদান করা। যা সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা। সেই হিসেবে প্রতিটি রোযার জন্য একটি সদকায়ে ফিতির পরিমাণ অর্থ ফিদিয়া হিসেবে গরীবকে দান করে দিবে। أَيَّامًا مَّعْدُودَاتٍ ۚ فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۚ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ۖ فَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُ ۚ وَأَن تَصُومُوا خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ • গণনার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণ কর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার। (সূরা বাকারা-১৮৩-১৮৪)
- والله اعلم باالصواب -
সুত্র
- رد المحتار, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৬৩
- رد المحتار, খন্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৪১০
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- রোযা রেখে কাফফারা আদায়ে সক্ষম হওয়া সত্বেও ফিদিয়া দেওয়া
- ইচ্ছেকৃত রোযা ভঙ্গ করলে কাযা আবশ্যক না কাফফারা
- অসুস্থ অবস্থায় রোযা
- মাজূর ব্যক্তির রোযা অন্য কেউ রাখলে তার পক্ষ থেকে আদায় হবে কি
- অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে না পারলে করণীয়
- একাধিক রোযার কাফফারা কয়টি আদায় করতে হয়
- কসমের কাফফারার রোযা কি লাগাতার রাখা জরুরী
- নামাযের কাফফারা আদায়