
প্রশ্ন
উত্তর
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
প্রথমে হাদীসটি দেখে নেই- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَا مِنْ وَلَدٍ بَارٍّ يَنْظُرُ نَظْرَةَ رَحْمَةٍ إِلَّا كَتَبَ اللهُ بِكُلِّ نَظْرَةٍ حَجَّةً مَبْرُورَةً “، قَالُوا: وَإِنْ نَظَرَ كُلَّ يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ؟ قَالَ: ” نَعَمْ، اللهُ أَكْبَرُ وَأَطْيَبُ “ হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, যখন কোন পিতা মাতার ভক্ত সন্তান নিজের পিতা মাতার প্রতি অনুগ্রহের দৃষ্টিতে দেখে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বদৌলতে তার জন্য (আমলনামায়) একটি হজ্জ্বে মাবরূর (কবুল হজ্ব) এর সওয়াব দান করেন। সাহাবারা আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি দৈনিক একশবার দৃষ্টি করে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তারও। আল্লাহ মহান ও পবিত্র। (শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৭৪৭২, কানযুল উম্মাল, হাদীস নং-৪৫৫৩৫, মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং-৪৯৪৪) জালালুদ্দীন সুয়ুতী রহঃ বলেন, হাদীসটি জঈফ। (আলজামেউস সাগীর-৮০৪৩)। শায়েখ আলবানী রহঃ বলেন, এটি জঈফ। (জঈফুল জামে-৫১৮০) হাদীসটি সনদের দিক থেকে নিশ্চিতভাবেই জঈফ। আর জঈফ হাদীস ফযীলতের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য। এ ব্যপারে গ্রহণযোগ্য সমস্ত ফক্বীহ এবং মুহাদ্দিসীনগণ একমত।
- والله اعلم باالصواب -
আনুষঙ্গিক ফতোয়া
- সুদের টাকার বিধান, সুদের টাকা দিয়ে হজ্ব ও সাইয়্যেদ বংশীয়কে যাকাত দেয়া প্রসঙ্গে
- কোন আমল করলে হজের সাওয়াব পাওয়া যায়
- মৃত্যুর পূর্বে কী ধরণের পূণ্য করা উচিত
- রূহে সাওয়াব রিসানী
- হাদিয়ার টাকায় হজ্জ করার দ্বারা ফরজ হজ্জ আদায় হয় কিনা?
- হজ্জের জন্য জমাকৃত টাকার উপর যাকাত
- গায়রে মাহরামের সাথে হজ্ব করলে কি হজ্ব আদায় হয় না
- মান্নতের হজের দ্বারা ফরয হজ্ব আদায়