
Tahkeek of the hadith found in the light of light and the nonsense of the claimants of light 7124991651
Ahle Haq Bangla Media Service•sirat and history•
Question
Answer
- حامداومصلياومسلما، بسم الله الرحمن الرحيم -
এ হাদীসটি যেসব কিতাবে বর্ণিত- দালায়েলুন নাবাবিয়্যহ- ১/১১৩; তারীখে বাগদাদ ৩/৩১০ জামেউল আহাদীস, হাদীস নং -৪৩১২২; কানযুল উম্মাল, হাদীস নং -৩৫৪৯২; ইবনে আসাকীর -৩ / ২১০ এবার আমরা হাদীসটি সনদের দিকে দৃষ্টি বুলাই Abu Muhammad al-Hussein bin Ahmad al-Samarqandi al-Hafiz Bnisabur I am Abu Ibrahim Ismail bin Isa bin Abdullah the Samarqandi merchant we are here Abu al-Hasan Ali bin Muhammad bin Yahya bin al-Fadl bin Abdullah al-Farsi Thana Abu al-Hasan Muhammad bin Ali bin al-Husayn al-Jarjani al-Hafiz in Samarkand Than Masada bin Bakr al-Farghani Marro I asked him, and he dictated Ali, after the effort of Muhammad bin Ahmed bin Abi Aoun, Thanna Ammar bin al-Hassan Thana Salamah bin al-Fadl on the authority of Muhammad bin Ishaq bin Yasar on the authority of Yazid bin Roman and Salih bin Kaysan on the authority of Urwa bin Zubayr on the authority of Aisha, may God be pleased with her, she said etc. উক্ত সনদটিতে মোটা দাগে তিনটি সমস্যা আছে। যথা- উক্ত সনদের একজন রাবীর নাম মুসআদ বিন যিনি বর্ণনা মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবী থেকে এবার দেখুন মুহাদ্দিসীনে কেরাম তার ব্যাপারে কী মন্তব্য করেছেন- Masada bin Bakr Al-Farghani, on the authority of Muhammad bin Ahmed bin Abi Aoun, with false news মুসআদ বিন বকর আলফারগানী বিন আহমদ বিন আবী আওন থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে মিথ্যুক। (তানযীহুশ শরীয়াতিল মারফুআ আনিল আহাদীসিশ শানিয়াতিল মাওজুআহ, রাবী নং -৩২৭, লিসানুল মিযান, রাবী নং -৮১, মিযানুল ইতিদাল -৪ / ৯৮, রাবী নং -৮৪৬৪) এ বর্ণনাটির সূত্রে আরেকজন রাবী হলেন- সালামা বিন ফজল। দেখুন মুহাদ্দিসীনে কেরাম সম্পর্কে তার সম্পর্কে কী মন্তব্য করেছেন- ১. ইমাম বুখারী রহঃ তারীখে কাবীরে তার সম্পর্কে মন্তব্য করে, Salamah bin al-Fadl Abu Abdullah al-Abrash al-Razi al-Ansari, he heard Muhammad bin Ishaq, narrated from him by Abdullah bin Muhammad al-Jaafi. আব্দুল্লাহ আলআবরাশ রাজী আলআনসারী মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে হাদীস। তার থেকে আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আলজুফী হাদীস বর্ণনা করেছে। তার কাছে অনেক মুনকার হাদীস ছিল। তাকে এগুলোর সর্দার বলা হতো তিনি মারা গেছেন নব্বই এর দশকের পর। তিনি হযরত আলী রাঃ এর কুৎসা গাইতেন। (তারীখে কাবীর, রাবী নং -২০৪৪) ২. ইবনে হিব্বান রহঃ, Salamah ibn al-Fadl al-Abrash Abu Abdullah al-Kindi narrated on the authority of Ibn Ishaq, narrated from him by Ammar bin al-Hasan. আর তার থেকে আম্মার বিন হাসান অনেকে হাদীস বর্ণনা। তিনি নব্বই এর দশকে ইন্তেকাল করেন একশত নব্বই হিজরীর। তিনি অনেক উল্টো বলেছেন এবং ভুল করেছেন। (আস সিক্বাত লিইবনে হিব্বান -৮ / ২৮৭) ৩. আলী বিন মাদিনী রহঃ, we did not leave irrigation until we gave a hadith of peace مة রায় শহর থেকে ততক্ষণ পর্যন্ত বেরিয়ে আসিনি যতক্ষণ না আমাদের দিকে সালামার হাদীস আসা শুরু করে। (আল জরহু ওয়াত তাদীল লিইবনে আবী হাতেম -৪ / ১৬৯) ৪. সালামা বিন ফজলের কাছে অনেক মুনকার হাদীস আছে। আর তার মাঝে আছে অনেক সমস্যা। (আজ জুআফাউস সাগীর লিল বুখারী -১ / ৫৫) ৫. সালামা বিন ফজল হল জঈফ (আজ জুআফা ওয়াল মাতরুকীন লিননাসায়ী -১ / ৪৭) সালামা বিন ফজল এর ব্যারে ইবনে আদী বলেনঃ তাকে ইবনে রাহুয়া জঈফ বলেছেন। আরো বলেছেন যে, তার হাদীসে বেশ কিছু মুনকার বিষয় রয়েছে। (আলমাজরূহীন লিইবনে হিব্বান -১ / ৩৭৫) ৬. আবু জুরআ থেকে বর্ণিত তিনি ছিলেন রায় অধিবাসী লোকেরা তার প্রতি আগ্রহী ছিল তার ভুল ভুল ও জুলুমের কারণে। আর আবু জুরআ ইংগিত করেছেন যে, তার কথায় মিথ্যা রয়েছে। (তাহযীবুল কামাল -১১ / ৩০৭) তৃতীয় আরেক জন রাবী হলেন, আনআনা বিন ইসহাক। ছিলেন মুদাল্লিস উল্লেখিত কারণে উক্ত হাদীসটিকে মুহাদ্দিসীনে কেরাম জঈফ বলেছেন। বরং বাতিল ও মিথ্যা বানোয়াট হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তবে এ হাদীসের মৌলিকত্বকে অস্বিকার করার জো নেই। কারণ রাসূল সাঃ এর চেহারা চাঁদ সুরুজের চেয়ে সুন্দর ও প্রোজ্জ্বল এতে কোন সন্দেহ নেই। যা বিভিন্ন হাদীসে এসেছে যেমন- And there was a lot of beard hair, so a man said his face was like a sword, and he said, No, but it was like the sun and the moon রাসূল সাঃ এর দাড়ি ছিল অনেক। আর চেহারা ছিল তরবারীর মত (চমকদার) তিনি বলেন, না, না বরং তার চেহারা ও চাঁদের মত দেদীপ্যমান। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং -৬২৩০, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং -৬২৫৭, মুসনাদে আবী ইয়ালা, হাদীস নং -৭৪৫৬, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং -২০৯৯৮, মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং -৩২৪৬৮, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং -১৪১৯) On the authority of Abu Hurayrah, he said: “I have never seen anything better than the Messenger of God, may God’s prayers and peace be upon him, as if the sun was running in him?” তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাঃ চেয়ে সুন্দর সুন্দর কাউকে দেখিনি। যেন সূর্য তার চেহারায় ভাসতো (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং -৮৯৪৩, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং -৩৬৪৮, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং -৬৩০৯) অন্য হাদীসে এসেছে, on the authority of Anas, he said, when the day was when the Messenger of God, may God bless him and grant him peace, entered Medina, everything lit up from it. When the day he died, everything was darker than her • হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত রাসূল সাঃ যখন মদীনায় যেদিন মদীনায় প্রবেশ করলেন তখন মদীনার প্রতিটি আলোকিত হয়ে গেল। যখন তিনি ইন্তেকাল করলেন তখন মদীনার প্রতিটি বস্তু আধাঁরিভূত হয়ে গেল। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং -১৬৩১, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং -৩৬১৮, সহীহ ইবেন হিব্বান, হাদীস নং -৬৬৩৪, মুসনাদে আবী ইয়ালা, হাদীস নং -৩৩৭৮, মুসনাদে আহমাদ , হাদীস নং -১৩৮৩০, মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং -৬৮৭১, মুসনাদে আব্দ বিন হুমাইদ, হাদীস নং -১২৮৯) উল্লেখিত হাদীসগুলো একথাই প্রমাণ বহন করে যে, রাসূল সাঃ এর চেহারা ছিল চমকদার সুন্দর। দীপ্যমান চাঁদ সূর্যের মত আলোকিত এতে কোন সন্দেহ নেই রাসূল সাঃ আল্লাহর সৃষ্টির মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। ’সুন্দরতম ও উজ্জলতম ব্যক্তিত্ব রাসূল সাঃ। এসব বিষয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু কথা হল এসব হাদীস কি একথা প্রমাণ করছে যে, রাসূল সাঃ নূরের তৈরী? এসব হাদীসের কোথাও কি একথা আছে যে, রাসূল সাঃ নূরের তৈরী? আলোকিত। নূর ছিলেন কিন্তু নূরের তৈরী ছিলেন একথা কোথায় বলা হল? নূর হওয়া এক জিনিস আর নূরের তৈরী হওয়া আরেক। নূর হলেই নূরের তৈরী হওয়া শর্ত নয়। আল্লাহ তাআলা নূর কিন্তু নূরের তৈরী নন ।। আল্লাহ তাআলা নূর একথা স্পষ্ট ভাষায় পবিত্র কুরআনে ঘোষিত। ইরশাদ হচ্ছে- God is the light of the heavens and the earth ۚ • আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের নূর তথা জ্যোতি। (সূরা নূর -৩৫) কুরআন নূর কিন্তু নূরের তৈরী And follow the light that was sent down with him Your first ones are the ones who work. • এবং সে, (সূরা আরাফ -157) as well as we revealed to you a spirit of what you ordered us to know what the book is not faith but we made Nora dedicate it from one of our starch and you, handing to the straight path • এমনিভাবে আমি আপনার কাছে এক ফেরেশতা প্রেরণ করেছি আমার আদেশক্রমে. আপনি জানতেন না, কিতাব কি এবং ঈমান কি? কিন্তু আমি একে করেছি, যাদ্দ্বারা আমি আমার থেকে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করি। নিশ্চয় আপনি সরল পথ প্রদর্শন করেন। (সূরা আশশোরা -৫২) কিন্তু নূরের A book that we have sent down to you to bring people out of darkness into the light with the permission of their Lord - to the direction of the একটি গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি নাযিল অন্ধকার থেকে (আলোর) দিকে বের করে আনেন-, প্রশংসার যোগ্য পালনকর্তার নির্দেশে তাঁরই তাঁরই দিকে। (সূরা ইবরাহীম -১) চাঁদ নূর কিন্তু নূরের তৈরী He is the one who made the sun a light and the moon a light • সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে নূর (স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে)। (সূরা ইউনুস -৫) যেমন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন, কিন্তু নূরের তৈরী নয়, কুরআনে কারীম নূর কিন্তু নূরের তৈরী, হেদায়াত নূর কিন্তু নূরের তৈরী, চাঁদ নূর কিন্তু নূরের তৈরী কিন্তু নূরের তৈরী নয়। মাটির তৈরী হয়ে নূর হওয়া প্রশংসা। নূরের তৈরী হয়ে হওয়া প্রশংসা নয় মাটির? নূরের তৈরী বস্তুতো আলোকিত হবেই এতে আশ্চর্য হওয়ার কী আছে? এটা প্রশংসার কী আছে? স্বাভাবিক ব্যাপার এটাতো নূরের স্বাভাবিক অবস্থা কোন বস্তুর স্বাভাবিক উক্ত বস্তুর বিশেষ হয়? বিজ্ঞ পাঠকের কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ একটু ভেবে দেখবেন। রাসূল সাঃ নূরের তৈরী হলে হাদীসের কোনটিই আর রাসূল সাঃ এর প্রশংসা বা বিশেষ গুণ হিসেবে আর বাকি না। কারণ তখন তা একটি স্বাভাবিক বিষয়। নূরের তৈরী বস্তু আলোকিত হবে, অতিশয় আলোকিত হবে। চাঁদ সূর্যের মত দীপ্যমান হবে এটা প্রশংসা হিসেবে বলার কী হল? স্বাভাবিক। আর বৈশিষ্টতো, যখন মাটির তৈরী মত ঝলক বিচ্ছুরিত হওয়া দেখা যায়, চাঁদ সূর্যের মত দীপ্যমান আলো বিকির্ণিত হতে যায়। রাসূল তৈরী বিশ্বাস করে কে নূরের মত প্রোজ্জ্বল আলো আলোকোচ্ছটাময় অবয়বকে সাঃ এর হিসেবে স্বীকার করি। রাসূল সাঃ তৈরী হিসেবে বিশ্বাস করেন, তারা রাসূল সাঃ কে নূরের তৈরী সাঃ এর বিকির্ণিত ঝলককে নামিয়ে আনে। যা সুষ্পষ্টই রাসূল সাঃ এর বৈশিষ্ট্যকে করার করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। এখানে একটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য, হিরা জহরত ও আবার সাধারণ পাথর ও পাথর। পাহাড় সাধারণ পাথর মিলে যেমন একটি মর্যাদায় পারে, তেমনি সকল মাটির কখনোই, কখনো পৌঁছতে পারবেও না। হযরত হামজা রাঃ এর গুণ হল আসাদুল্লাহি ওয়া আসাদু। তথা আল্লাহ ও তার রাসূলের সিংহ। তেমনি হযরত আলী ছিলেন শেরে খোদা তথা আল্লাহর বাঘ। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ ছিলেন সাইফুল্লাহ তথা আল্লাহর তরবারী। এসকল ক্ষেত্রে হযরত হামজা মাটির মানুষ হয়ে সিংহ হওয়ার। মাটির তৈরী মানুষ না হয়ে সিংহ হওয়া বৈশিষ্ট নয় বরং তাকে অপমান করা। তেমনি হযরত আলীকে মাটির তৈরী মেনে বাঘ মানা বৈশিষ্ট্য। কিন্তু মাটির তৈরী মানুষ না শুধু বাঘ মানা তাকে অপমান করা। একইভাবে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদকে মাটির তৈরী মানুষ মেনে তাকে আল্লাহর মানা তাকে সম্মানিত করা। পক্ষান্তরে তাকে মাটির তৈরী মানুষ না মেনে শুধু তরবারী বলা তাকে করা। ঠিক তেমনি রাসূল সাঃ কে তৈরী মানুষ মেনে নূর বিশ্বাস করা রাসূল সাঃ কে সম্মান ও মর্যাদাবান হয় হয়। মাটির তৈরী মানুষ বিশ্বাস করে নূরের তৈরী বিশ্বাস করাটা তাঁর (মাটির তৈরী হয়েও বিচ্ছুরিত নূরের অধিকারী হওয়ার) মর্যাদাকে অস্বিকার করা। আশা করি পাঠকদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। নূর দাবিদার ভাইদের আমাদের প্রশ্ন ও বিনয়াবনত আবেদন সাঃ নূর একথা কুরআন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত একথা যে ব্যক্তি অস্বিকার করবে কুরআন ও হাদীস অস্বিকারকারী হিসেবে কাফের। এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই কিন্তু রাসূল সাঃ নূরের তৈরী একথার কোন ভিত্তি কি আছে? যদি থাকে তাহলে কুরআনে কারীমের আয়াত দ্বারা রাব্বুল সম্বোধন করেছেন? আয়াত দেখান তিনি নূর এ আয়াত (কারণ তিনি যে, নূর একথা কেউ অস্বিকার করে না যেমন কুরআন, হেদায়াত, চাঁদ ও হেদায়াত নূর একথার অস্বিকার করে না)। তিনি নূরের তৈরী এ বক্তব্য সম্বলিত একটি আয়াত দেখান। যদি দেখাতে না পারেন, তাহলে অন্তত একটি সহীহ হাদীস পেশ করুন, যাতে রাসূল সাঃ বলেছেন তিনি নূরের তৈরী। তাও না, তাহলে অন্তত একটি হাসান পেশ করুন যাতে রাসূল তৈরীর বদলে নিজেকে নূরের তৈরী করেছেন তাও না, তাহলে অন্তত একটি জঈফ কিতাবের আরবী উদ্ধৃতি ও মুহাদ্দিসীনদের বক্তব্যসহ দেখান, যাতে রাসূল সাঃ নিজেকে নূরের তৈরী বলে দিয়েছেন। কোনটিই না, তাহলে রাসূল সাঃ এর প্রমাণবাহী নূর হওয়াকে রাসূল মানসিকতা থেকে বিরত থাকুন। রাসূল সাঃ এর এতবড় এতবড় শুধুই মিথ্যা কথার ফানুসে উড়িয়ে দিয়ে কোটি রাসূলপ্রেমীদের মনে আর কষ্ট দিবেন না। রাসূল সাঃ কে নূরের তৈরী বললে তাঁর নূর হওয়া যে আর বৈশিষ্টই বাকি থাকে না। তাই এরকম নবীবিদ্বেষী মনোভাব পরিহার করার উদাত্ব আহবান আপনাদের। রাব্বুল রাসূল সাঃ ভালবেসে তার হাতে হাউজে কাউসারের পান করার তৌফিক করুন 5161112269
- والله اعلم باالصواب -
* This Fatwa was translated by Google Translate.
To see the original click here
Related Fatwas
- Tahkeek of the hadith found in the light of light and the nonsense of the claimants of light 7124991651
- Answers to some of the most common questions about madhhabs 5697116394
- Bukhari's account of the Prophet's attempted suicide 2857131816
- What is the basis of the hadith of the meaning, 7445944398
- It is shirk to name the organization by any name other than Islam 9721947825
- Did not the meraj of the Prophet (peace be upon him) happen in a dream while awake in his body? 6511332519
- Is there any evidence in the Quran that Adam was the first human? 1996879845
- Is there any legal basis for the shouting of Tabligh Jamaat? 4585763712